সর্বশেষ জাতীয় রাজনীতি শিক্ষা সারা বাংলা বিশ্ব বাণিজ্য ইসলাম ও জীবন খেলা বিনোদন চাকরি জীবনযাপন প্রযুক্তি ভিডিও ছবি স্বাস্থ্য টিপস ক্যাম্পাস বিবিধ ধর্ম কর্পোরেট কর্নার ভ্রমণ সাহিত্য সোশ্যাল মিডিয়া সারাবাংলা

বাচ্চাদের চিয়া সিড খাওয়ানোর নিয়ম

  • Company Logo
    , বর্তমান
    প্রকাশ : ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৫, শনিবার ১১:৫৬ পিএম
বাচ্চাদের চিয়া সিড খাওয়ানোর নিয়ম

চিয়া সিডকে সারা বিশ্বের “সুপারফুড” হিসেবে বিবেচনা করা হয়। এতে আছে ফাইবার, প্রোটিন, ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড এবং অন্যান্য পুষ্টি উপাদান, যা শিশুদের হাড়, মস্তিষ্ক ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

কখন থেকে খাওয়ানো যাবে:
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শিশুরা যখন সলিড খাবার খেতে শুরু করে (সাধারণত ৬ মাস বয়স থেকে), তখন থেকেই চিয়া সিড দেওয়া যেতে পারে। তবে আগে সিডগুলোকে পানিতে ভিজিয়ে পিউরি, দই বা পরিজের সাথে অল্প পরিমাণে মিশিয়ে দিতে হবে।

 

বয়স অনুযায়ী খাওয়ানোর নিয়ম:

  • ৬ মাস+: ভেজানো চিয়া সিড ফলের পিউরি, দই বা পরিজে মিশিয়ে দেওয়া যেতে পারে। শুকনা সিড সরাসরি দেওয়া যাবে না।

  • ১২ মাস+: ওটমিল, পায়েস, ফলের পুডিং বা কেক-পিঠায় ভেজানো চিয়া সিড মেশানো যায়। খাবারের ওপর অল্প শুকনা সিড ছিটিয়ে দেওয়া যেতে পারে।

  • ১৮ মাস+: ফলের স্মুদি, জুস বা সিরিয়ালের সঙ্গে মিশিয়ে দেওয়া যায়। চাইলে চিয়া, ফল, লেবুর রস ও পানি দিয়ে ‘আগুয়া ফ্রেসকা’ বানানো সম্ভব।

 

স্বাস্থ্যগত উপকারিতা:

  • ফাইবার: হজম প্রক্রিয়া উন্নত করে।

  • প্রোটিন ও স্বাস্থ্যকর ফ্যাট: হাড় ও মাংসপেশীর জন্য সহায়ক।

  • ক্যালসিয়াম, আয়রন, জিঙ্ক ও সেলেনিয়াম: হাড়, রক্ত ও মস্তিষ্কের উন্নয়নে সাহায্য করে।

  • উদ্ভিদ-ভিত্তিক ওমেগা-৩: মস্তিষ্ক ও হরমোনের জন্য উপকারী।

  • অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট: রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।

 

সংরক্ষণ:

গোটা চিয়া সিড বাতাস-অবরুদ্ধ কন্টেইনারে সাধারণ তাপমাত্রায় ১৮ মাস পর্যন্ত ভালো থাকে।

গুঁড়া করা সিড ফ্রিজে এক বছর পর্যন্ত রাখা যায়।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বাচ্চাদের জন্য চিয়া সিড নিরাপদ ও পুষ্টিকর হলেও একবারে বেশি পরিমাণে দেওয়া উচিত নয়; ধীরে ধীরে অভ্যাস করানো উত্তম।


মন্তব্য