সর্বশেষ জাতীয় রাজনীতি শিক্ষা সারা বাংলা বিশ্ব বাণিজ্য ইসলাম ও জীবন খেলা বিনোদন চাকরি জীবনযাপন প্রযুক্তি ভিডিও ছবি স্বাস্থ্য টিপস ক্যাম্পাস বিবিধ ধর্ম কর্পোরেট কর্নার ভ্রমণ সাহিত্য সোশ্যাল মিডিয়া সারাবাংলা

উচ্চ রক্তচাপ কমাতে সহায়ক ৪ প্রাকৃতিক পানীয়

  • Company Logo
    , বর্তমান
    প্রকাশ : ২০ অক্টোবর ২০২৫, সোমবার ০৫:৪৪ পিএম
উচ্চ রক্তচাপ কমাতে সহায়ক ৪ প্রাকৃতিক পানীয়

উচ্চ রক্তচাপ বা হাইপারটেনশন একটি নীরব ঘাতক রোগ। সময়মতো নিয়ন্ত্রণে না আনলে এটি হার্ট অ্যাটাক, স্ট্রোকসহ নানা জটিল শারীরিক সমস্যার ঝুঁকি বাড়ায়। তাই শুধু ওষুধ নয়, জীবনযাপনে পরিবর্তন আনা এবং খাদ্যাভ্যাসে সচেতন হওয়া অত্যন্ত জরুরি।

রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখতে লবণ খাওয়ার পরিমাণ কমাতে হবে এবং প্রতিদিনের খাবারে পর্যাপ্ত পরিমাণে শাকসবজি, ফল ও দানাশস্য রাখতে হবে। পাশাপাশি সকালে কিছু বিশেষ পানীয় গ্রহণ রক্তচাপ স্বাভাবিক রাখতে সহায়তা করতে পারে। চলুন জেনে নেওয়া যাক এমন কয়েকটি উপকারী পানীয় সম্পর্কে—

১. লেবু পানি
হালকা গরম পানিতে লেবুর রস মিশিয়ে খেলে উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে উপকার মেলে। লেবুর ভিটামিন সি একটি শক্তিশালী অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট হিসেবে কাজ করে, শরীরের অক্সিডেটিভ স্ট্রেস কমায় এবং রক্তনালির কার্যক্ষমতা বাড়ায়। এটি রক্ত জমাট বাঁধা প্রতিরোধ করে। নিয়মিত পান করলে ভালো ফল পাওয়া যায়।

২. বিটের রস
গবেষণায় দেখা গেছে, বিট রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে কার্যকর ভূমিকা রাখে। এতে থাকা প্রাকৃতিক নাইট্রেট রক্তনালিকে প্রসারিত করে, ফলে রক্তচাপ স্বাভাবিক থাকে। সকালে খালি পেটে এক গ্লাস বিটের রস খাওয়া যেতে পারে, তবে এতে লবণ না মেশানোই ভালো।

৩. ডাবের পানি
ডাবের পানি শরীরের সোডিয়াম ও পটাশিয়ামের ভারসাম্য বজায় রাখতে সাহায্য করে। এতে অতিরিক্ত সোডিয়াম না থাকায় রক্তচাপ বৃদ্ধি করে না। শরীরচর্চার পর এক গ্লাস ডাবের পানি পান করলে তা হৃদরোগের ঝুঁকি কমাতেও সহায়ক।

৪. গ্রিন টি
দুধ-চিনি দেওয়া চায়ের বদলে গ্রিন টি বেছে নেওয়া ভালো। এতে ক্যাফেইনের পরিমাণ কম হলেও ক্যাটেচিন নামের অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট বেশি থাকে, যা রক্তনালির স্বাস্থ্য রক্ষায় সহায়তা করে। দিনে ২–৩ কাপ গ্রিন টি পান রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখতে সহায়ক হতে পারে।

সবশেষে মনে রাখবেন, উচ্চ রক্তচাপের রোগীরা কখনোই চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া ওষুধ বন্ধ করবেন না। তবে সঠিক খাদ্যাভ্যাস ও স্বাস্থ্যকর জীবনধারার মাধ্যমে ওষুধের ওপর নির্ভরতা কমানো সম্ভব। প্রতিদিনের খাবার ও পানীয়ের প্রতি সচেতন থাকলে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখা অনেক সহজ হয়ে যায়।


মন্তব্য